পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এ্যাসোসিয়েশন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০১৬

পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এ্যাসোসিয়েশন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

রনি মোহাম্মদ (লিসবন,পর্তুগাল) : পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এ্যাসোসিয়েশনপিবিএফএ এর উদ্দেগে পর্তুগাল প্রবাসীদের উপস্হিতে বাংলাদেশের ৪৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হলো

লিসবন শহরতলীর স্থানীয় এশিয়া রেস্টুরেন্টে। রাসেল রাফির সঞ্চালনায় পর্তুগালের প্রবীণ ব্যাক্তিত্ত ও পিবিএফএ সংগঠনের সভাপতি রানা তাসলিম উদ্দিনের সভাপতিত্ত্ব এতে প্রধান অথিতি ছিলেন লিসবন মিউনিসিপালিটর ডেপুটি মেয়র জোয়াও আফনসো, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিবিএফএ আসেম্বলি সভাপতি শের আলী ভুইয়া। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের অর্থ 

পরিষদ সভাপতি মোরশেদ কমল, শাহিন সাইদ, কালাম সরকার, আনিসুজ্জামান, শাহিন রেজা, তানভির রনি, তারেক মাহমুদ, রায়হান আহমেদ, মইন উদ্দিন সহ প্রমুখ। প্রধান অথিতির বক্তব্যে ডেপুটি মেয়র বলেন, এই সংগঠনের মাধ্যমে পর্তুগাল ও বাংলাদেশের সাথে আরও বন্ধুত্ব ও সমন্বয় 

সাধিত হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশীদের ব্যাবসা বাণিজ্য, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, সর্বোপরি লিসবনে বাংলাদেশী জনগনের পর্তুগিজদের সাথে সমন্বয় সাধনের এক ভূয়সী প্রশংসা করেন। সভাপতির বক্তব্যে রানা তাসলিম উদ্দিন বলেন, হাজার বছর ধরে বাঙ্গালী জাতি শোষিত হচ্ছে। পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ফরাসি ও ব্রিটিশদের শোষণের পর দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্থানী সরকার এই দেশকে শোষণ করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে এই স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়, ৫২, ৬২, ৬৬, ৬৮, ৬৯ এর রক্ত ক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল হিসেবে ৭০ এর নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ। তাই এই স্বাধীনতা কারো দানে অর্জিত হয়নি। বীর বাঙ্গালী রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এ্যাসোসিয়েশন সম্পর্কে তিনি বলেন, আজ এদেশে বাংলাদেশীদের মেধা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতি বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি সমন্বয় 

সাধন করতে হবে। পিবিএফএ মাধ্যমে আমরা এদেশের সাথে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করতে পারবো। নিজের দেশকে এই প্রবাসে পরিচিত করে বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিতে পারবো আমরা বীরের জাতি, আমরা শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শ্রমের মাধ্যমে নিজ দেশকে আজ ৪৬ বছর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে আসছি। 

ফউজিয়া তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল ছোট ছোট বাচ্চাদের ছড়া গান, দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি। আর এতে অংশনেয় পর্তুগালে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের রাইসা, 

আল্ভিরা, শান আহমেদ এবং শিল্পী নুরে মান্নান সাথে তবলায় সাহিন সাইদ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। ডিপুটি মেয়র কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা পর্তুগিজ ভাষায় আবৃতি করে উপস্থিত সকলের নজর কাড়েন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here