মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০১৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

জনপ্রিয় ডেস্ক: বসন্তের আজকের এই দিন চিরস্মরণীয় বাঙালি জাতির জীবনে। এ এক অনন্য দিন। 

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ৪৫ বছর আগে এই দিনে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। জাতি আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপন করবে।১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি আজ বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবে জাতি। শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জাতীয় নেতাদের এবং গণহত্যার শিকার লাখো মানুষ ও সম্ভ্রম হারানো মা-বোনের প্রতি। আজ সরকারি ছুটির দিন।বাঙালি জাতির জীবনে স্বাধীনতা দিবস একই সঙ্গে আনন্দ ও বেদনার দিন। বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে স্বাধিকারের চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল, তা ধাপে ধাপে স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপ নেয়। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে উপমহাদেশ ভাগের পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকেরা বাঙালির ওপর শোষণ এবং ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আগ্রাসন চালাতে থাকে। এই প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধিকারের দাবিতে জেগে ওঠা নিরীহ বাঙালির ওপর ২৫ মার্চ রাতে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী চালায় বর্বর গণহত্যা। ওই রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার আগেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তৎকালীন ইপিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ওয়্যারলেস থেকে তাঁর এই ঘোষণা প্রচারিত হয়েছিল। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের নেতারা মাইকে এটি প্রচার করেন। পরে চট্টগ্রামে অবস্থানরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এ ঘোষণা বেতারে পাঠ করেন।বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বীর বাঙালি মাতৃভূমিকে হানাদারমুক্ত করতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রশিক্ষণহীন নিরস্ত্র বাঙালিরা যেভাবে একটি সুশৃঙ্খল অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল, পৃথিবীর ইতিহাসে তেমন সংগ্রামের দৃষ্টান্ত বিরল। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের আত্মদান, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম আর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বিজয়। বাঙালি লাভ করে চিরকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।বরাবরের মতো এবারও দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপিত হবে। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামবে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাধারণ মানুষ ফুলে ফুলে ঢেকে দেবেন স্মৃতিসৌধের বেদি। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় পত্রপত্রিকা বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। সরকারি ও বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেলগুলো প্রচার করবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাতে হবে আলোকসজ্জা।
বাণী: দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং দেশের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here