একটি কল্পিত কথোপকথন-চীরঞ্জিব মুজিব এবং চীরঞ্জিব জিয়া -১ মাহবুব সুয়েদ লিসবন,পর্তুগাল প্রবাসী - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০১৬

একটি কল্পিত কথোপকথন-চীরঞ্জিব মুজিব এবং চীরঞ্জিব জিয়া -১ মাহবুব সুয়েদ লিসবন,পর্তুগাল প্রবাসী

সময়-বিকাল ৩ ঘটিকা'।' স্থান-বেহেশত এবং দুজখের মাঝামাঝি একটি বড়ই গাছের নিচে বিকেলের রোদেলা হাওয়ায় বসা'। চরিত্র- বাংলাদেশের মহান স্বাধিনতার স্থপতি ও আজীবন গনমানুষের জন্য 

লড়াকু সৈনিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের মহান স্বাধিনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান'।' বিকেলের রোদেলা হাওয়ায় বড়ই গাছের নিচে জলচৌকিতে বসে আপনমনে গুনগুন করে গান করছিলেন এবং তামাক পান করছিলেন শেখ মুজিব'।'হঠাৎ পরিচিত কন্ঠের সালামের আওয়াজে পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখেন মেজর জিয়া দাঁড়িয়ে'।'এই সেই মেজর জিয়া যাকে বঙ্গবন্ধু খুব স্নেহ করতেন একজন দেশপ্রেমিক আর্মি অফিসার হিসেবে বিশেষকরে স্বাধিনতার সময় কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তার পক্ষ থেকে স্বাধিনতার ঘোষনা পত্র পাঠ করায়'।' আজ এতদিন পরে হঠাৎ দেখা হয়ে যাওয়ায় বঙ্গবন্ধু মমতাভরা মন নিয়ে তাকালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন -বঙ্গবন্ধু- কি ইয়াং ম্যান কেমন আছ? তুমি জিয়া না? শহীদ জিয়া- উত্তরে জিয়া বিনীত কন্ঠে বললেন,স্যার তাহলে আমার নাম মনে রেখেছেন?আমি জি্যাই স্যার(আর্মি অফিসার হওয়ায় জিয়া স্যারই বলতেন)।বঙ্গবন্ধু- বঙ্গবন্ধু মুচকি হেসে বললেন তোরে(বঙ্গবন্ধু যে কাউরেই আপন করে নিতেন এবং তুইতে নেমে আসতেন) না চিনার কি আছেরে,তুইতো সাহস করে সেদিন আমার নামে স্বাধিনতার ঘোষনা করেছিলে যা আমি ৭২ সালে দেশে ফিরে বারবার শুনেছি আর ভেবেছি তুই কত সাহসী বীর যখন আমার দলের যুবক কর্মীরা কলকাতায় পালিয়ে গেছে তখন এক অখ্যাত মেজর তুই কি সাহসীকতাই না দেখিয়েছিস'।' >জিয়া বললেন- স্যার আপনার দোয়া'।'আমি আপনাকে মন থেকেই শ্রদ্বা করতাম স্যার যদিও ঐ জগতে(ইহকালে)বাংলাদেশের মানুষ এখন আমাকে আপনার প্রতিদ্বন্ধী বানিয়ে ফেলেছে এর জন্য আমি লজ্জিত স্যার আপনি কিছু মনে করবেননা প্লিজ'।' শেখ মুজিব-একটি দ্বীর্ঘশ্বাস ছেড়ে অনেকটা হতাশার শুরে বললেন কি আর করা বল,আমি সারাজীবন আন্দোলন করে জেল খেটে দীর্ঘ সংগ্রাম করে দেশকে স্বাধিন করে নেতৃত্বে আসলাম এবং গনতন্ত্রের জন্যে অনেক ত্যাগ স্বীকার করলাম এই দ্বীর্ঘ সংগ্রামের ফলে বাংলার মানুষের মনে আমার একটি অবস্থান তৈরি হল আর আমার মেয়ের বদৌলতে যে তুই আমাকে কত আপন ভাবতি কত শ্রধ্বা করতি সেই তোকে আজ আমার অবস্থানে আসতে হল'।'এরেই বলে কপালরে জিয়া বুঝলি'।'৭৫সালে ডালিম-হুদা-বজলুরা সবাইকে যখন মেরে ফেলল আমার দুই মেয়ে বিদেশে থাকায় বেচে যায় এবং আজও তারা সেই ব্যথা বুলতে পারেনি যার কারনে আমার বড় মেয়ে(শেখ হাসিনা)যে কাউকেই আমার খুনি বা এর সাথে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ করে বসে'।'তুই যেহেতু মোশতাকের কাছ থেকে ক্ষমতা নিয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলি তাই আমার মেয়ের সন্দেহের চোখ তোর দিকেও পড়ে গেছে তুই কিছু মনে করিসনা বাপ'।'মা-বাপকে নৃশসভাবে খুন হতে দেখে মেয়ে আমার বড়ই অসহায় ঘৃনাকাতুরে হয়ে গেছে'।'বাদ-দে ওসব কথা এখন আয় স্বাধিনতার যুদ্বকালিন সেই সংকঠময় দিনগুলো থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমাদের প্রিয়দেশে যা কিছু হয়েছে বা হচ্ছে সেইসব নিয়ে কিছু আলোচনা করি'।'তার আগে দাড়া তামোকটা ভরে নেই....... (চলবে)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here