বৃহত্তর ফরিদপুর এসোসিয়েশন অফ পর্তুগালের ২০১৫ অভিষেক অনুষ্ঠিত - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫

বৃহত্তর ফরিদপুর এসোসিয়েশন অফ পর্তুগালের ২০১৫ অভিষেক অনুষ্ঠিত

রনি মোহাম্মদ (লিসবন,পর্তুগাল): ''সবার সুখে হাসব আমি কাঁদব সবার দুখে, নিজের খাবার বিলিয়ে দেব অনাহারীর মুখে''_পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের এই স্লোগান নিয়ে ১৭/১০/২০১৫ রোজ শনিবার

পর্তুগালের রাজধনি লিসবনের ()বক মুন্ড রেস্তোরায় অনুষ্ঠিত হলো বৃহত্তর ফরিদপুর অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের অভিষেক ২০১৫। পর্তুগালে বসবাসরত বৃহত্তর ফরিদপুরের মানুষ, তাদের পরিজন, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে সম্পর্ক ও যোগাযোগের সেতু বন্ধন গড়ে তোলার উদ্দ্যেশে ১৭ই অক্টোবর জনাব মাহবুব আলমকে সভাপতি,এনামুল হক মিথুনকে সাধারণ সম্পাদক এবং জোবায়ের আহমেদকে

সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২০১৫-২০১৭ এর জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়, এই উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় এক আলোচনা ও নৈশভোজের। বৃহত্তর ফরিদপুর এসোসিয়েশন অফ পর্তুগালের নব নির্বাচিত সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জনাব মাহবুব

আলমের সভাপতিত্তে, নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মিথুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিতি হিসেবে উপস্তিত ছিল লিসবনে অবস্তিত বাংলাদেশ দুতাবাসের মান্যবর রাষ্টদূত ইমতিয়াজ আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিল ফরিদপুর এসোসিয়েশন অফ পর্তুগালের

প্রধান উপদেষ্টা রাফিক উল্ল্যা, উপদেষ্টা জহিরুল আলম জসিম, কাজল আহমেদ,উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্তিত ছিলেন দুতাবাসের প্রথম সচিব মোহাম্মেদ খালেদ, সহকারী কনসুলার মোহাম্মেদ নুরুদ্দিন, কমিউনিটি ব্যাক্তিতো হুমায়ুন কবির জাহাঙ্গীর, লিয়াজ উদ্দিন, ফরহাদ মিয়া, শাহ জাহান, নুর নবী, সোলেমান মিয়া, এমদাদ মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, এম এ খালেক, শওকত ওসমান, ইউসুফ

তালুকদার, মোহাম্মেদ রায়হান, এ কে রাকিব, ইমরান,পনির আহমেদ,বাসেত,ফারুক,জামাল,পারভেজ,বাদল,বাবু,মিজান সহ বাংলাদেশ কমিনিটির এবং ফরিদপুর এসোসিয়েশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা ফরিদপুরের ইতিহাস এবং তাৎপর্যতুলে

ধরে বলেন, ফরিদপুর বাংলাদেশের বিভাজন পূর্ব ১৭ জেলার অন্যতম। পদ্মা, মেঘনা, মধুমতি আর আড়িয়াল খাঁ নদীর কোল ঘেষে ১৮১৫ সালে গড়ে ওঠে ফরিদপুর জেলা। কালের বিবর্তনে ১৯৮৪ সালে তা ভাগ হয়ে যায় মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী নামে আরও চারটি জেলায়।

যাকে আমরা এক কথায় বৃহত্তর ফরিদপুর বলি। উপদেষ্টা জহিরুল আলম জসিম বলেন,ফরিদপুরের অসংখ্য কৃতি সন্তান বাংলাদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের স্বকীয়তার সাক্ষর রেখে নিজেদের এবং জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছেন, এদের ভেতর আছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,

জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের, পল্লীকবি জসীম উদ্দীন, হামিদা খানম, তারেক মাসুদ, ফরায়েজী আন্দোলনের রপকার হাজী শরীয়তুল্লাহ সহ আরও অনেকে। প্রধান উপদেষ্টা রাফিক উল্ল্যা বলেন, বৃহত্তর ফরিদপুরের মানুষ আজ জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে শুধু বাংলাদেশে না তথা সারা পৃথিবীতে নিজস্ব অবস্থান সমাসীন আছেন । তাই এই আপাত বিচ্ছিন্ন হয়ে

যাওয়া বৃহত্তর ফরিদপুর প্রবাসীদের কে একসুত্রে গেথে একটি পরিবার গড়ে তোলার ভেতরেই আমাদের সার্থকতা। প্রবাসী বৃহত্তর ফরিদপুরের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনে আমাদের পথ চলা এবং, প্রতিটি মানুষের ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনে আজকের এই অবস্থানে এসেছি । রাষ্টদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন এখানকার মাটি ও মানুষকে ভালবেসে এর

বাস্তব চিত্র বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিতে মহান প্রভূ হয়ত পল্লীকবি রুপে পাঠিয়েছেন জসীম উদ্দীনকে। আর নিপীড়িত মানুষের কথা বলার জন্য পাঠিয়েছেন সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুনিল গঙ্গোপাধ্যায়সহ অসংখ্য কবি-সাহিত্যিকদে। এখানকার মানুষ বরাবরই বন্ধু বৎসল, আন্তরিক ও আত্নমর্যাদা সম্পর্ণ । সভাপতি জনাব মাহবুব আলম বলেন আজ তোমরা যারা আমাদের সাথে আছ তাদের আমি ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করতে চাইনা কারন তোমাদের নিয়েই আমি এবং আমরা, তোমরা আছো বলেই আমি আছি । কিন্তু আজও ফরিদপুর পরিবারের অনেকেই আমাদের সদস্য তালিকার বাইরে রয়ে গেছে যাদের ছাড়া আমরা সম্পূর্ণ নই । তাই বন্ধুরা তোমরা যদি ফরিদপুরকে ভালোবাসো তবে তোমরা আমাদের সাথে যোগ দাও আর যারা আমাদের সাথে আছো তারা তোমাদের পরিজন, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদেরকে এখানে অন্তর্ভুক্ত কর যাতে আমরা সত্যিকার অর্থে একটি ভার্চুয়াল পরিবার হয়ে উঠতে পারি, হয়ে উঠতে পারি প্রবাসী একটুকরো সত্যিকার ফরিদপুর।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here