প্রস্তুত বিয়ানীবাজারের ৫০টি মন্ডপ দেবী দূর্গার অপেক্ষায় চলছে প্রহর গণনা - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

প্রস্তুত বিয়ানীবাজারের ৫০টি মন্ডপ দেবী দূর্গার অপেক্ষায় চলছে প্রহর গণনা

সুফিয়ান আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হচ্ছে কাল থেকে। উপজেলার ৫০টি পূজা মন্ডপও প্রস্তুত দেবী দূর্গাকে বরণে। দেবী দূর্গার আগমন উপলক্ষে প্রহর গুণছেন সবাই। কাল সোমবার ষষ্টি পুজার মাধ্যমে শুরু হবে দেবী দূর্গার আগমণ। ছয়দিনব্যাপী  আয়োজিত দূর্গা উৎসব উপলক্ষে গতকাল বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন মন্ডপে শুরু হয়েছে পূজা-অর্চনা ও প্রসাদ বিতরণ। দেবীর বোধন বা পঞ্চমীকে ঘিরে  উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটে বসেছে দেবী। আর পূজা-অর্চনা সব আয়োজনও সম্পন্ন হয়েছে ইতোমধ্যে। প্রায় বছর পর দেবী দূর্গাও আগমন। মাতৃরূপে দেবী দুর্গা শান্তি ও ন্যায়ের প্রতীক ও দুর্গোতিনাশিনী। তাই তো ভক্তদের মাঝে এত উচ্ছ্বাস, এত ব্যাকুলতা। দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার হিন্দু ধর্মালম্বীদের ঘরে ঘরে এখন আনন্দের ঝর্ণাধারা বইছে। পূজামণ্ডপ থেকে শুরু করে বিপণি বিতান সবখানেই এখন পূজার আমেজ। আজ মহাষষ্ঠীর মধ্যদিয়ে সারা দেশে মহাধুমধামে শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। রাত পেরুলেই ঢাকের ঢোল, কাঁসর ঘণ্টা, শাঁখের ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে উপজেলার পূজামণ্ডপগুলো। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পূজা মণ্ডপগুলো এবারও নানান থিমের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এসব পূজা মণ্ডপের থিমে স্থান পেয়েছে-সামাজিক, প্রাকৃতিক, মানবতা ও ধর্মীয় এবং বিনোদননির্ভর আবহ। লাগানো হয়েছে বাহারি রংয়ের লাইটিং। অলিতে গলিতে করা হচ্ছে আলোকসজ্জায় সজ্জিত। আর পুজা উপলক্ষ্যে ডিজিটাল ব্যানারে শারদীয় শুভেচ্ছা চোখে পড়ার মত। রোববার উপজেলার বৃহৎ কালাচাঁদ মিলন মন্দির, জলঢুপ মন্দির ও উজান দেউলগ্রাম মন্দিরে ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদন অরুণাভ পাল চৌধুরী মোহন বলেন,সব পূজা মণ্ডপ প্রস্তুত। এখন কেবল দেবীর অপেক্ষা। মা দূর্গার আগমণে সবাই উচ্ছসিত। মা দূর্গা সব অশান্তি দূর করে শান্তির আবির্ভাব ঘটাবেন এমনটি প্রত্যাশা আমাদের। হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পুজার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবের আহমদ জানান, উপজেলার  প্রতিটি পূজা মন্ডপে পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে পালন করবেন। পুজা মন্ডপ বা পুজা উৎসবে যাতে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here