'খালেদা নিজেই গণতন্ত্রের চৌকাঠের বাইরে' - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৫

'খালেদা নিজেই গণতন্ত্রের চৌকাঠের বাইরে'

জনপ্রিয় ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, উনি নিজেই নিজেকে গণতন্ত্রের কপাটের বাইরে নিয়ে গেছেন। আজ উনি এক কাঁধে আগুন সন্ত্রাসী আরেক কাঁধে যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গিবাদী-মৌলবাদীদের নিয়ে গণতন্ত্রের কপাট দিয়ে আবারও গণতন্ত্রের বাগানে ঢোকার কথা বলছেন। এ যে ভূতের মুখে রাম-নাম। আজ রোববার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। গত শুক্রবার খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের বদ্ধ কপাট খুলে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গণমাধ্যমে এক বিবৃতি পাঠান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় বলে অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। বিএনপি কখনো সন্ত্রাসের রাজনীতি করেনি এবং সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয়ও দেয়নি‍ বলে খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যকেও ডাহা মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, আগুন সন্ত্রাস-নাশকতা-অন্তর্ঘাত গণতন্ত্রের কোন সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া এই কথা বলার মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন, দেশে অবাধ গণতন্ত্র বিরাজ করছে। মত প্রকাশের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তাঁর এই বক্তব্য গণতন্ত্রের জন্য নয়, তাঁর মনের খেদোক্তি। মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের কপাট খোলাই আছে। গণতন্ত্র অবরুদ্ধও নয়। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে জঙ্গিরা। গণতন্ত্র অপরাধীদের হালাল করার ফর্মুলা না। গণতন্ত্রের খোলা দরজা দিয়ে আগুন সন্ত্রাসী-নাশকতাকারীদের নিয়ে পেট্রল বোমা ও গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে বেগম জিয়া নিজেই গণতন্ত্রের চৌকাঠের ওপারে চলে গেছেন। গণতন্ত্রের কপাট খোলাই থাকবে। কিন্তু আগুন সন্ত্রাসী-জঙ্গিরা চৌকাঠের ওপারেই থাকবেন। তথ্য মন্ত্রী প্রশ্ন তুলে বলেন, গণতন্ত্র কি আগুন সন্ত্রাসী-যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গিবাদী-মৌলবাদী-সন্ত্রাসবাদী-খুনি-অপরাধীদের হালাল করার ফর্মুলা? তিনি বলেন, খালেদা জিয়া, যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গিবাদী-মৌলবাদীদের হাত ধরে আগুন সন্ত্রাস-নাশকতা-অন্তর্ঘাতের পথে ওয়ানওয়ে টিকিট কেটে গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ধ্বংসের পথে যাত্রা করেছিলেন। উনি রিটার্ন টিকিট সঙ্গে নেননি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা তছির আহাম্মদ ও জ্যেষ্ঠ উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here