সাংবাদিক মুকুলের পরকীয়া প্রেমিকাও জেলহাজতে - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০১৫

সাংবাদিক মুকুলের পরকীয়া প্রেমিকাও জেলহাজতে

জনপ্রিয় ডেস্ক : স্ত্রী নাজনীন আক্তারের নির্যাতনের মামলায় স্বামী গাজী টিভির বার্তা সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মুকুলের পরকীয়া প্রেমিকা মেহেরুন বিনতে ফেরদৌসকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে ঢাকা সিএমএম আদালত।বৃহস্পতিবার পরকীয়া প্রেমিকা মেহেরুন বিনতে ফেরদৌসের স্বামী রাজী উল আমিন তাকে জিম্মায় নিতে অস্বীকার করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অমিত কুমার দে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে এ আসামি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থণা করেন। জামিন আবেদনের শুনানিকালে আসামিপক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সাংবাদিক মুকুলের সঙ্গে তার কোনো অবৈধ সম্পর্ক নেই। তার স্বামী, সংসার রয়েছে। অপবাদ দেয়ার জন্যই মামলাটিতে তাকে আসামি করা হয়েছে। আদালত উক্ত বক্তব্য শোনার পর বিচারক বলেন, এ আসামির স্বামী যদি তাকে জিম্মায় নিতে রাজী হন তবেই জামিন দিতে পারেন। পরে ঢাকা ব্যাংক মতিঝিল থানার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এ আসামির স্বামী রাজী উল আমিনকে আসামিপক্ষ আদালতে হাজির করেন। কিন্তু স্বামী রাজী উল আমিন আদালতকে জানান যে, ঘটনা সত্য তাই তিনি তার স্ত্রীকে জিম্মায় নিতে আগ্রহী নন। অন্যদিকে বাদি পক্ষে মহিলা আইনজীবী সমিতি সাংবাদিক মুকুলের সঙ্গে এ আসামির অত্যন্ত একান্ত ঘনিষ্ঠ কিছু স্থিরচিত্র আদালতে উপস্থাপন করে জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে মেহেরুন বিনতে ফেরদৌসকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক অমিত কুমার দে। এর আগে গত ২৬ জুন রাত আড়াইটার দিকে সেগুনবাগিচা থেকে মুকুলকে গ্রেপ্তার করে মিরপুর থানা পুলিশ। পরদিন ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত এবং রিমান্ড শেষে গত ২৮ জুন তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নাজনীন আখতার গত ২৫ জুন স্বামী মুকুল ও মেহেরুন বিনতে ফেরদৌস নামে এক নারীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও যৌতুকের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করেন।মামলায় নাজনীন আখতার অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর একমাত্র মেয়ে চন্দ্রমুখী মারা যাওয়ার পর শোকে তিনি পাঁচতলা থেকে লাফ দিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে আবার তারা দুজন সন্তান নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এর মধ্যে মুকুল মেহেরুন বিনতে ফেরদৌস নামে জনৈক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে কথা বললে স্বামী মুকুল বিভিন্ন সময়ে তাকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। মেহেরুনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময়ও মুকুল তাকে কয়েকবার নির্যাতন করেছেন। একবার রক্তাক্ত অবস্থায় সহকর্মীরা বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এর কিছুদিন পর তার দ্বিতীয় কন্যার জন্ম হয়। কিন্তু সন্তানের জন্মের পর থেকে কখনোই খোঁজ নিতেন না মুকুল। বিভিন্ন সময়ে মুকুল তার কাছ থেকে টাকাও নিয়েছেন। সর্বশেষ রাজউকে পূর্বাচলে বরাদ্দ পাওয়া একটি প্লটের কিস্তির জন্য তিনি ১৪ লাখ টাকা দেন মুকুলকে। কিন্তু মুকুল ওই প্লটটি নিজের নামে লিখে নেন এবং সম্প্রতি তা বিক্রিও করে দেন। এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় নাজনীনকে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন করেন মুকুল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here