'ক্ষমতার জন্য নয়, স্বৈরতন্ত্র থেকে জাতিকে মুক্ত করতেই আন্দোলন' - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

'ক্ষমতার জন্য নয়, স্বৈরতন্ত্র থেকে জাতিকে মুক্ত করতেই আন্দোলন'

জনপ্রিয় ডেস্ক : বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, "বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের ক্ষমতা যাওয়ার জন্য নয়, বরং আওয়ামী একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্র থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্যই জনগণের এই আন্দোলন।"আজ (রোববার) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানকে দলটির দলীয় ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্রে পরিণত করেছে। ইতোপূর্বে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল কায়েম করেও তারা একই কর্ম করেছিল। দুটি সংশোধনীর মর্মার্থ একই-অর্থাৎ সকল বিরোধী দল নিশ্চিহ্ন করে শুধু আওয়ামী লীগ একদলীয় সরকার ও একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করবে। মূলতঃ একদলীয় শাসন ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মেনিফেস্টো।" তিনি বলেন, "অবশেষে অর্থমন্ত্রী স্বীকার করলেন- ঢাকা বাইরের সারাদেশের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অন্ততঃ এটি তার রাবিশ বক্তব্য নয় বলে আমি মনে করি। আমি তাকে এবং তার অবৈধ সরকারকে আহবান জানাই- সময় থাকতে পতনের পদধ্বনি শুনুন, দ্রুত পদত্যাগ করে দেশ বাঁচান, মানুষ বাঁচান।" সালাহউদ্দিন বলেন, "এফবিসিসিআইর দলবাজ সভাপতির কারণে ব্যবসায়ী সমাজের বক্তব্য সরকারের কানে যাচ্ছে না। সরকার প্রধানের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই চলমান রাজনৈতিক সংকট ও অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে।" তিনি বলেন, "স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারকে দ্রুত পদত্যাগের পরামর্শ প্রদান করুন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যবসাবান্ধব স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত হবে।" বিএনপি মুখপাত্র বলেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গণহারে পাশ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার্থীদের জন্য মায়াকান্না করছেন। ১৯৯৫-৯৬ সালের আওয়ামী নৈরাজ্য ও তাণ্ডবের কারণে এসএসসি পরীক্ষা তিন মাস পেছাতে বাধ্য হয়েছিল তৎকালীন বিএনপি সরকার।" এ সময় পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজসহ শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে সকলকে সম্মিলিতভাবে গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলনের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অবৈধ সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার আহ্বান জানান তিনি। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, শনিবার ঢাকার শ্যামলী এলাকায় মিছিল থেকে চার শিবির কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে শিবির নেতা জসীম উদ্দিন হাওলাদারকে ক্রসফায়ারে হত্যা করে এবং অন্য তিন শিবির নেতা সজীব, আবদুল মান্নান ও আবদুল্লাহকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও এখনো স্বীকার করেনি। ঢাকার কলাবাগান থানার পুলিশ শিবির নেতা আবু হাসানকে বাসা থেকে থানায় ডেকে নিয়ে পায়ে গুলি করে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট জামায়াত নেতা বেলায়েত হোসেন মজুমদার ও বেলাল হোসেনকে একই কায়দায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে পায়ে গুলি করে।পুলিশ বাহিনীর এ ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ড ও বন্দুকবাজির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ক্ষমতার পট পরিবর্তন হলে এ সকল হত্যাকাণ্ড ও নির্মম বন্দুকবাজির প্রত্যেকটি ঘটনায় দায়ীদের বিচার করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here