মুক্তিযুদ্ধের ক্যানভাসকে ছোট করে ফেলা হচ্ছে : রনি - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৪

মুক্তিযুদ্ধের ক্যানভাসকে ছোট করে ফেলা হচ্ছে : রনি



জনপ্রিয় ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধের ক্যানভাসকে ছোট করে ফেলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। সোমবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের বর্ধিত হল রুমে সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা আন্দোলন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (আ.) আখতারুজ্জামান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রনি বলেন, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছিল পাকিস্তান শাসক বাহিনীর বিরুদ্ধে। কিন্তু এখন বিষয়টাকে জামায়াতবিরোধী করে ফেলার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ক্যানভাসকে ছোট করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, সেনানিবাস বা অন্য কোনো স্থাপনা না করার জন্য দেশের আটটি এনজিও যে দাবি জানিয়েছে তা জাতীয় স্বার্থবিরোধী। তিনি প্রশ্ন করে বলেন, সেনাবাহিনীর জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কী এমন অনিয়ম হয়েছে যে, আটটি এনজিও একসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি জানাবে? তারা আসলে সংঘবদ্ধ হয়ে সরকারের দুর্বলতার সুযোগ নিতে চাইছে। বিভিন্ন এলাকার কৃষি জমি সেনাবাহিনীকে বরাদ্দ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে এতে সাত হাজার মানুষ উচ্ছেদ হবে বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আখতারুজ্জামান বলেন, রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডির কৃষিজমি-জলাধারা ভরে অনেককে কোটি টাকার সম্পদ করে দেয়া হয়েছে। তখনতো তিনি পরিসংখ্যান নেবার প্রয়োজন বোধ করেন নাই। কারণ তিনিও সেই সুবিধাভোগীদের একজন। রাজধানীর একটি বড় অংশ সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তার পরিধি ক্রমেই বাড়ছে আইন ও শালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামালের এমন অভিযোগকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং রাষ্ট্রের অস্তিত্বের প্রতি চ্যালেঞ্জ বলেও জানান আখতারুজ্জামান।
তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশের গোটা সীমান্ত এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে সমগ্রজাতিকে খোয়াড়ে বন্দি করে রাখা হচ্ছে। এটা কী আমাদের রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং অস্থিতের প্রতি চ্যালেঞ্জ নয়? এ নিয়ে তো তারা কথা বলেন না। দেশের সশস্ত্রবাহিনীর অস্তিত্ব ও নীতিমালা সংবিধানেই দেয়া রয়েছে। তারা দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তার মতে দেশের শতভাগ জমিই কৃষি জমি। তাই শিল্পকারখানা ও ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির প্রয়োজনীয় বসতির জন্য কৃষি জমিই ব্যবহার করতে হবে। সেখানে দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর জন্য কোনো ধরনের স্থাপনাও হতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here