পরমানু ইস্যুতে ছয়জাতি-ইরানের আলোচনার মেয়াদ বাড়ছে - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৪

পরমানু ইস্যুতে ছয়জাতি-ইরানের আলোচনার মেয়াদ বাড়ছে

জনপ্রিয় ডেস্ক : তেহরানের বিতর্কিত পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরান ও ছয় জাতির মধ্যকার আলোচনার সময়সীমা আজ সোমবার শেষ হচ্ছে। এ ব্যপারে সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না বলে ইরান ও ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আগে জানালেও সেই অবস্থা থেকে এখন সরে এসেছেন তারা। ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে স্থায়ী চুক্তি করতে আলোচনা সময়সীমা বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছেন তারা। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থান করছেন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর শীর্ষ কূটনীতিকরা। তারা বলছেন, তেহরান পরমাণু চুক্তির বিষয়ে বিশাল ফারাক রয়েছে। তবে এ বিষয়ে অন্তরবর্তীকালীন চুক্তি করতে তারা সম্মত।  ছয় জাতি অর্থাৎ জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং জার্মানি ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত রাখতে দীর্ঘদিন চাপ প্রয়োগ করে আসছে। ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র না বানায়, সেজন্যই এই চাপ প্রয়োগ। তবে ইরানের দাবি, তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ খাতে প্রয়োগ করা হচ্ছে। রবিবার সন্ধ্যায় ছয় জাতি ও ইরানের কর্মকর্তারা জানান, তারা সম্ভাব্য আলোচনার সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও তেহরানের পরমাণু প্রকল্পের ওপর স্থায়ী চুক্তি এখনো অনেক দূরের একটি বিষয় বলে তারা জানান।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভিয়েনা আলোচনায় দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছু মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। যা মীমাংসা করা খুবই প্রয়োজন। এ ব্যাপারে ইরানের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন ছয় জাতির কূটনীতিকরা।ইরানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভাদ জাফরি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। এই আলোচনার মধ্যস্থতাকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ক্যাথেরিন অ্যাস্টোন।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে চুক্তির জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। সময়সীমা শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা নতুন করে আলোচনার সময়সীমার বাড়ানোর জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।এর আগে এবিসি টিভি চ্যানেলকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, ইরানের সঙ্গে বিশ্বের অন্য দেশের সম্পর্কে পরিবর্তন আনতে এ চুক্তি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। তবে এ বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে যে ফারাক তৈরি হয়েছে তা স্বীকার করেন তিনি।ইরান যদি ছয় জাতির দেওয়া শর্ত অনুযায়ী পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ করে বা ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসে, তবে তাদের ওপর আরোপিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here