খালাস চেয়ে মীর কাসেমের আপিল, ব্যারিস্টার ফখরুলের জামিন নাকচ - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৪

খালাস চেয়ে মীর কাসেমের আপিল, ব্যারিস্টার ফখরুলের জামিন নাকচ

জনপ্রিয় ডেস্ক : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে ঢাকাস্থ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলী। আজ (রোববার) দুপুরে কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় মীর কাশেম আলীর পক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন এ আপিল দায়ের করেন। আপিলে মামলা থেকে খালাস চেয়েছেন মীর কাসেম। আপিল দায়েরের পর মীর কাসেমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ১৮১টি পয়েন্টের ওপর আপিল করেছি। মোট ১৭৫০ পৃষ্ঠার এ আপিল আবেদনটি পাঁচটি ভলিউমে জমা দেয়া হয়েছে। গত ২ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে ১০টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর দুটি অভিযোগে তাকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। আপিল প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল মীর কাসেম আলীকে সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে তথ্য ও আইনগত যে ভুল করেছেন সেই ভুলগুলো আমরা তুলে ধরেছি। আমরা আশা করছি, আপিল বিভাগ আমাদের আবেদন আমলে নিয়ে মীর কাসেম আলীকে সাজা থেকে খালাস দেবেন। তিনি বলেন, ‘যে দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে মীর কাসেম আলীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল সেই দুটি অভিযোগ প্রমাণে প্রসিকিউশন ব্যর্থ হয়েছে। যে দুজন সাক্ষীর ভিত্তিতে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে সেই দুই সাক্ষীর একজনের জন্ম ১৯৭৭। কিন্তু তিনি ১৯৭১ সালের ঘটনা নিয়ে কিভাবে আদালতে সাক্ষী দেন আমরা এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করেছি। শিশির মোহাম্মদ মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘১১ নম্বর অভিযোগে  তুল্লু সেন ও রঞ্জিত দাস হত্যার অভিযোগে মীর কাসেমকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। তুল্লু সেন মারা গেছেন ১৯৭১ সালে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, তিনি তুল্লু সেনের জবানবন্দি নিয়েছেন। যে ব্যক্তি মারা গেছেন তদন্ত কর্মকর্তা তার জবাববন্দি নেন কিভাবে?’ ওদিকে,  একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের কপি আগাম ফাঁস হবার ঘটনায় আটক আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল। রোববার জামিন আবেদনের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কেএম শামসুল আলম এ আদেশ দেন। উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের দিন রায় ঘোষণার পূর্বেই তার পরিবারের সদস্যরা ইন্টারেনেটের মাধ্যমে রায়ের কপি পেয়ে গেছেন উল্লেখ করে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ওইদিন তারা রায়ের স্পাইরাল বাইন্ডিং কপি মিডিয়াতে প্রদর্শন করেন এবং সেটি নিয়েই তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রবেশ করেন। রায়ের কপি ফাঁসের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার একেএম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে গত ২ অক্টোবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। এছাড়া ৪ অক্টোবর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ঢাকার শাহবাগ থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন। গত ২৮ আগস্ট যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ফাঁসের অভিযোগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী, ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here