ময়নাতদন্তে হুমায়ূনের টুনির আত্মহত্যা, প্রত্যাখ্যান স্বজনদের - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৪

ময়নাতদন্তে হুমায়ূনের টুনির আত্মহত্যা, প্রত্যাখ্যান স্বজনদের



জনপ্রিয় ডেস্ক :  জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদের এই সব দিন রাত্রির টুনি চরিত্রে রূপদানকারী নায়রা সুলতানা আত্মহত্যা করেছে বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে নিহতের মা ও মামলার বাদী এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর আগে গত ৯ নভেম্বর ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে পেইনডিং ভিসেরা উল্লেখ করা হয়। লোপার পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার স্পষ্ট অভিযোগ ও পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে মৃত্যু নিয়ে রহস্য থাকার কারণে ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রেও রহস্যভেদের চেষ্টা করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ভিসেরার রিপোর্ট দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের মেডিকেল বোর্ড আত্মহত্যা বলেই প্রতিবেদন দিয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ভিসেরা রিপোর্টসহ চূড়ান্ত পিএম রিপোর্ট পেয়েছি রবিবার। এখানে মৃত্যুর কারণ সুইসাইড (আত্মহত্যা) বলা হয়েছে। হত্যার অভিযোগ তাহলে আর প্রমাণ করা গেল না। তবে লোপার স্বামী তাকে নির্যাতন করতেন এবং স্বামী মাদকাসক্ত ছিলেন এমন তথ্য তদন্তে পাওয়া গেছে। এসআই মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা হলে সেখানে প্ররোচণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সুযোগ আছে এখনো। নির্যাতনের পর লাশ উদ্ধার এবং পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগের ঘটনা ঘটে। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ ও মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য থাকায় লোপার ভিসেরার নমুনা রেখে তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এ কারণে গত ৯ নভেম্বর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিলেও ভিসেরা পেইনডিং বলা হয়। এদিকে লোপার মৃত্যুকে তার স্বজনরা এখনো হত্যা বলেই দাবি করছেন। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, হত্যার মোটিভ প্রমাণ না হলেও মামলার এজাহারের বেশ কিছু অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। স্বামীর নির্যাতনের কারণে লোপা আত্মহত্যা করতে পারেন বলেও ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।নায়ার সুলতানা লোপার মা রাজিয়া সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। এমন অনেক প্রমাণই আমরা পুলিশকে দিয়েছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট কিভাবে আত্মহত্যা বলেছে আমরা বুঝতে পারছি না। এটি হত্যা। আমরা এর বিচার চাই। গত ১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার গুলশান-১-এর ১২৩ নম্বর রোডের ১২ নম্বর বাসা থেকে সন্ধ্যায় নায়ার সুলতানা লোপার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রাত পৌনে ৮টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এর এক মাস পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেল পুলিশ। নায়ারকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী আলী আমিনের বিরুদ্ধে তার মা রাজিয়া সুলতানা গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here