এইচটি ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি মন্ত্রিসভায় - JONOPRIO24

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৪

এইচটি ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি মন্ত্রিসভায়

জনপ্রিয় ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য। আজ মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তারা এ দাবি তুলেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এর কোনো জবাব না দিয়ে মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেছেন, সরকার বিব্রত হয় এ ধরনের কথা বলা থেকে আপনারা বিরত থাকবেন। এসময় বিবিসিকে দেয়া এইচটি ইমামের বক্তব্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনলে তিনি বলেন, তার সঙ্গে এ নিয়ে আমার কোন কথা হয়নি। বৈঠক সূত্র জানায়,অনির্ধারিত আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুবাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ আরও কয়েকজন মন্ত্রী এইচটি ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেন। গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানে এইচটি ইমাম ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে দলের বিজয় ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সরকারি চাকরিতে বিশেষ সুবিধা দেবার বিষয় নিয়ে কথা বলেন। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন,৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রতিষ্ঠিত করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বক্তব্য দিয়ে 'সরকারি ষড়যন্ত্রের চিচিং ফাঁক' করে দিয়েছেন।  এদিকে, বিসিএস পরীক্ষায় ও সরকারি চাকরিতে ছাত্রলীগকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার আশ্বাস নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে নানা মহলে। আওয়ামী লীগের নেতারাও  মনে করছেন, এইচটি ইমামের বক্তব্য দল ও সরকারকে বিব্রত করেছে। এ প্রসঙ্গে জয়পুহাট আদিবাসী কলেজের শিক্ষক ও বাংলাদেশ সাঁওতাল কাউন্সিলের  চেয়ারম্যান এস সি আলবার্ট সোরেন রেডিও তেহরানকে বলেন, এইচটি ইমামের বক্তব্য অত্যন্ত দায়িত্বহীন এবং অনৈতিক। তার বক্তব্যে সরকারের গোমর ফাঁস হয়ে গেছে। দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম অবশেষে আজ সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছেনগণমাধ্যমে তার বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, “খণ্ডিত বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমার ওই বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল ছাত্রদের প্রশিক্ষণ, জ্ঞানার্জন এবং শিক্ষা।উপদেষ্টা আরো বলেন, “আমি ছাত্রদের প্রয়োজনে রাত জেগে পড়ালেখার পরামর্শ দিয়েছি। বলেছি মেধার কোনো বিকল্প নেই। আমি বলেছি ভাইভা কিভাবে দিতে হয়, কি নিয়মকানুন মেনে চলতে হয় সে বিষয়ে আমরা তোমাদের সহযোগিতা করব। কারণ আমরাও ভাইভা দিয়েছি। এইচটি ইমামের দাবি, বিএনপি-জামায়াতের মতো অভিপ্রায় থাকলে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের আমরা রাত জেগে পড়ালেখার পরামর্শ দিতাম না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Responsive Ads Here