TRENDING NOW

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। আজ মঙ্গলবার সকালেই খবর পাওয়া গিয়েছিল, করোনায় আক্রান্ত তার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন। ভারতের বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই ব্যাডমিন্টন কিংবদন্তি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার মেয়ের আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলা। আপাতত তিনি বেঙ্গালুরুর বাড়িতেই রয়েছেন পরিবারের সঙ্গে।


আজ দুপুরে পাওয়া খবর অনুযায়ী, কোভিড-১৯ আক্রান্ত দীপিকার পুরো পরিবার। ১০ দিন আগে প্রকাশ, তার স্ত্রী উজ্জ্বলা এবং ছোট মেয়ে অনিশার উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রকাশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিমল কুমার বলেছেন, ‘করোনা পরীক্ষা করা হলে ফল পজিটিভ আসে। নিভৃতবাসে ছিল ওরা। প্রকাশের জ্বর না কমায় শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওকে।’ তবে প্রকাশ ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিন দিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে যেতে পারেন।

গত মাসে মুম্বাই থেকে বেঙ্গালুরু যান দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী অভিনেতা রণবীর সিংহ। মহারাষ্ট্রে ১৫ দিনের লকডাউন ঘোষণা করার পরেই তাদের দুজনকে মুম্বাই বিমানবন্দরে দেখতে পাওয়া যায়। কয়েক দিনের জন্য দীপিকার পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু সেখানে করোনার কবলে পড়ল গোটা পরিবার।

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে বিধি-নিষেধ থাকার পর “ইউরোপীয় সবুজ ডিজিটাল সার্টিফিকেট” বহনকারী আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেন।


আগামী জুন মাস থেকে এটি কার্যকর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে স্পেনের জাতীয় পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক ফেরনান্দো ভালদেস। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি)-এর বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন। 

স্পেনের শিল্প, বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রী রেইয়েস মারোতো এই ঘোষণাকে “খুব ভালো সংবাদ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, এই গ্রীষ্মের ছুটির মাসগুলোতে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের স্পেনে  আগমনের অর্থ হচ্ছে, মহামারীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ স্পেনের পর্যটন খাতের জন্য এটি ‘টিকা স্বরূপ’।

দেশটির জাতীয় পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক ফেরনান্দো ভালদেস আশ্বাস দিয়ে বলেছেন যে, ‘আমরা এখন গত গ্রীষ্মের মতো নই এবং এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। আর এই কারণে এখন পর্যটকদের নিশ্চয়তা দেয়া যাবে এবং তাদের সঠিক তথ্য দেয়া ও তাদের দেশে ফিরে যেতে পারার আশ্বাসও দেয়া যাবে বলে আমরা মনে করি।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, পর্যটকদের সুরক্ষা দেয়া এবং সবুজ ডিজিটাল সার্টিফিকেটের মান নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, আমরা যদি সেটা না করি এবং নিজ দেশে ফিরে পর্যটকরা যদি কোন অনিশ্চিত বিধি নিষেধের মুখোমুখি হন, তবে সেটা পর্যটন শিল্পের জন্যে সহায়ক হবে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক উদ্যোগ নেয়া ‘ইউরোপীয় সবুজ সার্টিফিকেট’ একটি বিশেষায়িত ডকুমেন্ট, যার মধ্যে বহনকারী ব্যক্তির কভিড১৯-এর টিকা সংক্রান্ত তথ্য যেমন, টিকার নাম, গ্রহণ করার তারিখ ও কয় ডোজ সম্পন্ন করেছেন তা উল্লেখ থাকবে। এছাড়া ব্যবহৃত টিকার ড্রাগ ব্যাচ নাম্বারও উল্লেখ থাকবে। আরো উল্লেখ থাকবে পিসিআর টেস্ট করানোর তথ্যসহ সর্বশেষ কভিড উত্তরণের দিন-তারিখ। 

সার্টিফিকেটে ব্যবহার করা হবে কিউআর কোড, ব্যবস্থা থাকবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কাগজ বা ডিজিটাল ফর্ম্যাটে উপস্থাপন করার ব্যবস্থা। 

উল্লেখ্য, গত ২০২০ ও চলতি বছরে ইউরোপের করোনা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল স্পেনে দীর্ঘদিনে লকডাউনে মারাত্মক সংকটের মুখে আছে দেশটির পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি। 

স্পেনের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট (এনআইএস)-এর হিসেব অনুযায়ী, কভিড মহামারীর আগের বছরের (২০১৯) সালের তুলনায় বর্তমানে স্পেনে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা দুই তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী যেখানে ২০১৯ সালে স্পেনে ভ্রমনে গেছেন ২৫ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক, সেই সংখ্যা কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে কমে গেছে ৭৫ শতাংশ।

আর তাই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্যে স্পেনকে উন্মুক্ত করে দেবার এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের পর্যটন শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু স্পেনকে তার পর্যটন শিল্পের ধ্বস থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

সু্ত্র ,বিশ্ববাংলা।

জনপ্রিয় অনলাইন : সৎ মা ও শিশু ভাই বোনকে যখন কোপাচ্ছিল তখন তারা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজনও এগিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু আবাদ দরোজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেয়। এরপর সে ফের হামলে পড়ে মা ও ভাই-বোনের ওপর। ইচ্ছেমতো তাদের কোপায়। পরে তোষকে আগুন ধরিয়ে তাদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু তার আগেই পুলিশ ও এলাকার মানুষ দরোজা ভেঙে তাকে আটক করে। সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানায় ৩ খুনের ঘাতক আবাদ হোসেন।

খুন হওয়া ৩ জনই হচ্ছে আবাদের সৎমা, সৎভাই-বোন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আবাদ জানায়- ‘রাগের মাথায় একসঙ্গে সে ৩ জনকে খুন করেছে। কারণ- সৎমা রুবিয়া বেগম সব সময় তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো। সময়মতো খাবার দিতো না। কাপড়ও ধুয়ে দিতো না। সে সন্তানের মতো আচরণ করতো না। বরং তাকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করতো। এসব কারণে ক্ষুব্ধ হয়েই সে ৩ জনকে দা দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে।’ ত্রিপল মার্ডারের ঘটনাস্থল সিলেট শহরতলীর বিআইডিসি’র মীর মহল্লা এলাকা। বিআইডিসি এলাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন আব্দাল হোসেন খান বুলবুল। তার মূল বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে। আব্দালের প্রথম স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বিয়ানীবাজারে বসবাস করেন। বিআইডিসি’র গলির মুখে আব্দালের নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের নাম ‘খান ভ্যারাইটিজ স্টোর’। দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার পক্ষের সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন মীর মহল্লার একটি ভাড়া বাসায়। অসুস্থ থাকায় আব্দাল কয়েক মাস আগে তার প্রথমপক্ষের বড় সন্তান আবাদ হোসেন খানকে বিয়ানীবাজার থেকে সিলেটের বাসায় নিয়ে আসেন। এরপর থেকে আবাদ হোসেন পিতার সঙ্গে দোকানেই সময় দিচ্ছিল। আর বসবাস করতো মীর মহল্লার বাসাতেই। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আবাদ তার পিতার কথায় সিলেটের মীর মহল্লার বাসায় আসার পর সৎমায়ের সঙ্গে নানা কারণে বিরোধ দেখা দেয়। সৎমাও তাকে প্রায় সময় শাসাতো। আবাদের আচরণে সৎমা ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন স্বামী আব্দালসহ আশেপাশের মানুষদের। আশঙ্কা করেছিলেন- সৎপুত্র আবাদ তাকে হত্যা করতে পারে। এমন আশঙ্কা তিনি জানালেও কেউ গুরুত্ব দেননি। বৃহস্পতিবার রাতে পিতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই ছিল আবাদ। দোকানে পিতাকে রেখেই সে বাসায় চলে আসে। রাত তখন ১২টা। এমন সময় বাসার ভেতর থেকে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। চিৎকার শুনে তারা এগিয়ে গেলেও বাসার দরোজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় খোলা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জানানো হয় শাহপরান থানা পুলিশকে। খবর পেয়ে পুলিশের টহলদল সেখানে পৌঁছে। তারা গিয়ে দরোজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় পুলিশ রক্তাক্ত দা পাশে রেখে ঘরের এক কোণায় বসে থাকতে দেখে আবাদ হোসেন খানকে। আর বিছানায় পড়ে আছে সৎমা রুবিয়া বেগম ও বোন মাহার দেহ। উপুর্যুপরি কোপানোর ফলে তাদের দেহ রক্তাক্ত। গোটা ঘরেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল রক্তের দাগ। এ সময় পাশেই ছিল তানসানের দেহ। তার শরীরে কোপ দেয়া হলেও সে তখন জীবিত ছিল। আর রুবিয়া ও মাহার নিথর দেহ পড়েছিল খাটের ওপর। পুলিশ ও এলাকার মানুষ রুবিয়া ও ৯ বছরের বোন মাহার মরদেহ উদ্ধার করে। আর গুরুতর আহত অবস্থান ৫ বছরের শিশু তানসানকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় ঘরের ভেতর থেকে রক্তাক্ত দা, ছোড়া ও খুন্তিসহ আটক করে ঘাতক আবাদকে। তাকে সিলেটের শাহপরান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ধারালো দা, খুন্তি ও ছোড়া দিয়ে তাদের কোপানোর পর সে বিছানার তোষকেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। তার উদ্দেশ্য ছিল ওই ৩ জনের লাশ পুড়িয়ে ফেলা। কিন্তু তোষকে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে যায়নি। আগুন ধরার কারণে গোটা ঘরই ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল। এদিকে, গতকাল রাত ৩টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তানসানও। ৩ খুনের ঘটনায় সিলেট শহরতলীর বিআইডিসি এলাকায় শোক বিরাজ করছে। গতকাল দুপুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত ৩ জনের ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় মর্গের সামনে থাকা নিহত রুবিয়া বেগমের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন- সৎমা রুবিয়া বেগমকে দুই চোখে দেখতো পারতো না ঘাতক আবাদ হোসেন। বিয়ানীবাজারে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। এই সম্পত্তির একাংশের দাবিদার ছিল রুবিয়া ও তার সন্তানরা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছে। এই বিরোধ মেটাতে পিতা আব্দাল হোসেন বড় ছেলে আবাদকে বিয়ানীবাজার থেকে সিলেটের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু সে ওখানে আসার পর থেকে বিরোধ আরো চাঙ্গা হয়। তারা বলেন, আগেও কয়েকদিন আবাদ তার সৎমাকে মারতে তেড়ে গিয়েছিল। প্রায় সময় গালিগালাজও করতো। এসব নিয়ে পিতা আব্দালও আবাদকে শাসাতেন। পিতা শাসালে সে চুপ হয়ে যেতো। কিছু বলতো না। কিন্তু যখন পিতা বাসায় থাকতো না তখন সে সৎমাকে গালিগালাজ করতো। এদিকে, গ্রেপ্তারের পর আবাদকে শাহপরান (রহ.) থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। শাহপরান থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান মানবজমিনকে জানিয়েছেন- জিজ্ঞাসাবাদে আবাদ হোসেন খান খুনের বিষয়টি স্বীকার করেছে। পারিবারিক বিরোধের কারণেই খুন করা হয়েছে বলে তারা জানতে পারেন। তিনি বলেন, আবাদ নিজেই তার সৎমা রুবিয়া, বোন মাহা ও ভাই তানসানের ওপর হামলা চালায়। পরে তারা নিস্তেজ হয়ে পড়লে সে আগুন দিয়ে লাশ পুড়িয়ে ফেলারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাৎক্ষণিক পুলিশ গিয়ে দরোজা ভেঙে ফেলায় আগুন ছড়ায়নি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় শাহপরান থানায় আটক আবাদ হোসেন খানকে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আবাদকে আজ সিলেটের আদালতে হাজির করা হবে বলে জানান তিনি। 

জনপ্রিয় অনলাইন : দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে সারাদেশে জেলা-মহানগরে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে বিএনপি।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি নেত্রীর জন্য জাতি বেদনায় ভারাক্রান্ত।

রিজভী বলেন, “আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্বের তিন বছর। এই দিন করাবন্দিত্বের প্রতিবাদে বিএনপি ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে সকল জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে।”

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে যান। এরপর জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায়ও তার সাজা হয়। দুই মামলায় ১৭ বছরের সাজা হয়েছে তার।

করোনাভাইরাস মহামারীকালে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়। তারপর থেকে তিনি গুলশানে নিজের বাসা ‘ফিরোজায়’ আছেন। তবে সেখানে দলের নেতা-কর্মীসহ কারও সঙ্গে তার সাক্ষাত হচ্ছে না।

রিজভী বলেন, “গত মার্চে কারাগার থেকে বাড়ি নিয়ে আসা হলেও তিনি মূলত গৃহবন্দি। অগণতান্ত্রিক সরকারের দোসররা কখনই গণতান্ত্রিক শক্তির মিত্র হতে পারে না বলেই বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে বন্দি করে রেখেছে।

“আজ তার বন্দিত্বের জন্য সারা জাতি বেদনায় ভারাক্রান্ত। এই ঘোর তিমির ঘন পরিবেশের অবসান ঘটবেই, আওয়ামী লাঠিপেটা গণতন্ত্রের কবর রচনা হবেই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবই।”

বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রতিক্রিয়ার জবাবে রিজভী বলেন. “বিএনপিসহ বিরোধী দলের কোনো সমাবেশের কথা শুনলেই ওবায়দুল কাদের সাহেবদের কাঁপুনি ধরে। কারণ প্যান্ডোরার বক্স খুলে গিয়ে সকল সত্যগুলো পুনরায় বের হতে থাকবে।”

তিনি বলেন, “৬টি মহানগরে সমাবেশের জন্য কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গত নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা। এই সমাবেশের উদ্দেশ্য নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিবাদ করা এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি করা। এটা তো গণতন্ত্রের বিধান, এটা তো গণতন্ত্রের পদ্ধতি। এখানে ওবায়দুল কাদের সাহেব হুমকির কী দেখলেন?

“আমরা বলতে চাই, ওবায়দুল কাদেরের হুমকি জুলুমবাজ কর্তৃত্ববাদী শাসনের বহিঃপ্রকাশ। তা বক্তব্য প্রচণ্ড অবাক করেছে জনগণকে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে জনরোষের ভয়ে ওবায়দুল কাদের সাহেবরা ঘরে বসে হুঙ্কার দিচ্ছেন।

“গণতান্ত্রিক অধিকার হচ্ছে সভা-সমাবেশ করা। আর সেই সভা-সমাবেশ বন্ধ করার হুমকি কোনো রাজনৈতিক নেতা দিতে পারেন না, সেটি কেবলই মাফিয়ারাই দিতে পারে।”

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, আবদুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, বেলাল আহমেদ, মহানগর দক্ষিণের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

Your all gallery images here